বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০

চোখের রোগ সারাতে শ্রীশ্রী ঠাকুরের বলা কথা গুলি শুনুন

 

এক দাদা আলোচনা প্রসঙ্গে ঠাকুরকে বললেন-ঠাকুর  আমি অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি বিশেষ করে ডাক্তার কালিদাকে দেখিয়েছি।ডাক্তার কালিদা বলেছেন এই রোগ আর সারবেনা।

এখন কী করবো ঠাকুর? শ্রীশ্রী ঠাকুর বললেন -কতগুলো কাজ করলে চোখ সেরে যেতে পারে।

(1) কৃষ্ণতিল (2) কলা (3) চোখে জলের ঝাপটা (4) চোখে কিছুখন ঢাকা রাখতে হবে।

শ্রীশ্রী ঠাকুর বললেন চোখের যেকোন অসুখ সারাতে এবং চোখকে সুস্থ রাখতে কালো তিল বা কৃষ্ণ তিল প্রত্যহ খাওয়া ভালো।কৃষ্ণ তিল ছাড়া অন্য কোন তিলে ঐ কাজ হবে।

কলা খাওয়ার কথা ঠাকুর বললেন।কলা কিন্তু  বীচে কলা বা সরবি কলা হতে হবে।কলা খেলে চোখের যেকোন অসুখ সারাতে এবং চোখের যেকোন রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

শ্রীশ্রী ঠাকুর বললেন প্রত্যহ মুখ ধোয়ার সময় খোলা চোখে ঠাণ্ডা পরিস্কার জল দিয়ে চোখে ঝাপটা দিতে হবে।

শ্রীশ্রী ঠাকুর আবার বললেন-চোখে কিছু সময় ঢাকা দিয়ে রাখার কথা বললেন।চোখে ঢাকা দিয়ার সময় মনে রাখতে হবে চোখে ঢাকা খুব আল্গা ভাবে হবে।

চোখের যেকোন রোগ সারাতে পরমপিতা শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের কথা গুলি মেনে চলুন



বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২০

পরম পূজনীয় বাবাই দার বলা একটি রোমাঞ্চকর ঘটনা

 


একদিন এক ঘটনা ঘটলো এ কুমারী মা তিনি একটি অফিসে চাকরি করতেন একদিন তার অফিস ছুটি হতে অনেক দেরি হয়ে গেছে তিনি ভাবছেন রাত হয়ে গেল কি করে যাব।

ওই মা পরম দয়াল শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের এত নিষ্ঠ ভক্ত এবং দয়ালের সদ দীক্ষায় দীক্ষিত এবং তিনি যজন যাজন ইষ্টভৃতি পরায়ন হয়ে চলছিলেন।



তিনি রাস্তায় গাড়ি পাবেন কিনা অর্থাৎ অটো বাস পাবেন কিনা  এই কথা চিন্তা করতে করতে ঠাকুরকে স্মরণ করে চলেছেন।কিছুক্ষণ পর তিনি রাস্তায় এসে পৌঁছালেন।তখন তিনি দেখলেন একটি অটো আসছে তিনি ওই অটোর দিকে দাঁড় করিয়ে ওই অটোতে চেপে পড়লেন  তিনি দেখলেন অটোতে আর কোন প্যাসেঞ্জার নেই তারপর খুব রাত হয়ে গেছে তিনি ভয়ে ভয়ে শ্রী ঠাকুরের নাম ধারণ করতে করতে ওই অটোতে চলেছেন।

অটোতে যাবার সময় তিনি দেখলেন ড্রাইভারটি লুকিং গ্লাস দিয়ে ওই মাটির দিকে তাকিয়ে আছে তখন ওই মাটি ভয় পেতে শুরু করলেন।এবং তিনি পরম দয়াল শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের শরণাপন্ন হয়ে ঠাকুরের নাম করতে লাগলেন।

এই মা দেখেছেন খবরের কাগজে কত নাকি ঘটনার কথা।সেই ভেবেই তিনি বেশি ভয় করছিলেন।তিনি বাড়ির কাছে আসা মাত্রই নিজের ভাড়াটি দিয়ে গেট খুলে ছুটে বাড়ির দিকে ঢুকে গেলেন ।

 এদিকে ড্রাইভার চিৎকার করতে লাগলো আর একজনের ভাড়া কে দেবে বাড়ির লোক চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ওই মাটির বাবা-মা বাইরে বেরিয়ে এসে অটো ড্রাইভার এর কাছে গেলেন।অটো ড্রাইভার বলল উনি একজনের ভাড়া দিয়েছেন আর একজনের ভাড়া দেননি।তখন তারা বললেন আমার মেয়ে একাই এসেছে তখন ওই ড্রাইভার বলল দুজন ছিল।

তখন তারা ওই ড্রাইভারকে বোঝাবার জন্য বাড়ির ভিতরে নিয়ে গেলেন।তারা বললেন আমার মেয়ে একাই ছিল।তখন ওই অটো ডাইভার দেওয়ালের দিকে লক্ষ্য করে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ছবিটি দেখে বলল এইতো এই মানুষটি ছিল।

তখন তারা সব বুঝতে পারলেন  _পরম দয়াল শ্রীশ্রী ঠাকুরের যজন যাজন ইষ্টভৃতি পরায়ন হয়ে চললে শ্রী শ্রী ঠাকুর সব সময় মানুষকে রক্ষা করেন। 

তখন তারা পরম দয়াল শ্রীশ্রী ঠাকুরের কথা ওই ড্রাইভারটি কে বলেন ওই ড্রাইভারটি সব শুনে শ্রী শ্রী ঠাকুরের সৎ নাম গ্রহন করতে রাজি হয়। এবং পরবর্তীকালে ওই ড্রাইভারটি শ্রী শ্রী ঠাকুরের সৎ নাম গ্রহণ করে  যজন যাজন ইষ্টভৃতি পরায়ন হয়ে চলতে থাকে।

 এই হচ্ছেন আমাদের ঠাকুর যুগো পুরুষোত্তমম্ পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র।প্রত্যেকটি মানুষ আজ পরম দয়ালের সৎ নাম গ্রহণ করে যজন যাজন ইষ্টভৃতি পরায়ন হয়ে চলছে এবং প্রত্যেকেই তার কিপা লাভ করছেন।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র কে হত্যা করার চক্রান্ত

 


অনেকদিন আগেকার কথা শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র তিল তিল করে গড়ে তুলছেন দেওঘর আশ্রম। শ্রী শ্রী ঠাকুরের আশ্রম দেখে পান্ডাদের মনে আক্রোশ বৃদ্ধি পেল।

 পান্ডারা একজন ডাকাতকে ঠিক করল।ওই ডাকাতকে অনেক পয়সার বিনিময়ে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র কে হত্যা করার জন্য একটি আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে শ্রী শ্রী ঠাকুরের আশ্রম দেওঘরে পাঠান।

 ওই কুখ্যাত ডাকাত আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেওঘরে আশ্রয় নেয়। ওই ডাকাত দেখলো আমি বেশ ভালোই আছি। শ্রী শ্রী ঠাকুরের খাবার খাচ্ছি আর ঘুরে বেড়াচ্ছি।এই ভাবে দিন কতক কাটিয়ে যাওয়া যাক।

ওই ডাকাত মনে মনে ভাবল ওই হাফ হাফ ধুতি পরা লোকটাকে মারতে আমার এক মিনিট সময় লাগবে।আমি দিন কতক এখানে খাওয়া-দাওয়া করে ঘুরে বেড়াই।

 একদিন এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটলো _ যেহুতু লোকটি কুখ্যাত ডাকাত ছিল সেই জন্য তার নামে ওয়ারেন্ট বেরিয়েছে।পুলিশ খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারে ওই ডাকাত শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের আশ্রম দেওঘরে আছে।

একদিন সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী দেওঘরে এসে শ্রী শ্রী ঠাকুর কে জিজ্ঞাসা করলেন এখানে কোন ডাকাত এসেছে কিনা।

 শ্রী শ্রী ঠাকুর অন্তর্যামী তিনি সবই জানতেন কিন্তু পুলিশকর্মীদের তিনি মিথ্যে কথা  বললেন।শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন এখানে সেরকম কেউ নেই তাছাড়া থাকলো আপনারই হাতে তুলে দিতাম না। 

ওই কুখ্যাত ডাকাত তখন আড়াল থেকে সব শুনছিল।শ্রী শ্রী ঠাকুরের সমস্ত কথা শোনার পর পুলিশকর্মী  যখন চলে গেলেন তখন ওই কুখ্যাত ডাকাত শ্রী শ্রী ঠাকুরের কাছে এসে পায়ে পড়ে গেল।

শ্রী শ্রী ঠাকুর কে বলল আমি খুবেই পাপী। আমি যার জীবন নিতে চেয়েছিলাম তিনি  আমার জীবন রক্ষা করলেন।

 ওই ডাকাত পান্ডার এর সঙ্গে চুক্তি হওয়ার সমস্ত কথা শ্রী শ্রী ঠাকুর কে বললেন।

 যুগো  পুরুষোত্তমম্ পরম  দয়ালের আশ্রম দেওঘরে ওই ডাকাতের পুনর্জনম হলো অর্থাৎ ঠাকুরের সৎ দীক্ষায়  দীক্ষিত হয়ে।

 বেশ কিছুদিন পর শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র তার পবিত্র পাঁজা এবং পবিত্র দন্ড দিয়ে একজন ডাকাত থেকে শ্রী শ্রী ঠাকুরের পাঞ্জাধারী কর্মীতে পরিণত করলেন।

 এই হলেন আমার দয়াল ঠাকুর। 


বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০

এক কৃপণ মায়ের কথা

 



পরম দয়াল শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের সৎ দীক্ষায় দীক্ষিত যারা। তারা প্রত্যেকেই জল গ্রহণের পূর্বে পরম পিতার ভোগ হিসাবে যৎকিঞ্চিৎ কাঞ্চন মুদ্রা ইস্ট ভৃতি নিবেদন করি। বেশিরভাগ মানুষ টাকা-পয়সার উপর লোভ বেশী। তাই সৎ দীক্ষায় দীক্ষিত যারা  ঠাকুরের ভোগ হিসাবে প্রত্যেকেই নিবেদন করেন।।                                                                   একদিন এক সন্ন্যাসী এক গৃহস্থের বাড়িতে ভিক্ষা নিতে যান।কিন্তু সন্ন্যাসী যতবার ভিক্ষা চেয়েছেন ওই বাড়ির মা কিছু অজুহাত দিয়ে ভিক্ষা দেননি।            ওই মাটি যখন বারবার ব্যস্ততাই দেখাচ্ছেন তখন ওই সন্ন্যাসী বললেন আপনার বাড়িতে রান্না হয়।। ঐ মা টি বললেন তা হবে না কেন? প্রত্যহ রান্না হয়। তখন ঐ সন্ন্যাসী বললেন আপনার বাড়িতে উনুনে যে ছাই হয়েছে তা আমাকে দেন।            তখন ওই মা বললেন ওই উনুনের ছাই আপনার কী কাজে লাগবে? তখন ঐ সন্ন্যাসী বলল  আমার কিছু কাজে লাগবে না তোমার ভবিষ্যতের জন্য কাজে লাগবে। তখন ঐ মা সমস্ত কথা জানতে চাইলেন। তখন ওই সন্ন্যাসী বললেন কাউকে কিছু না দিয়ে দিয়ে আপনি কোন conjugate  হয়ে গেছেন। আপনার গর্ভে যে সন্তান জন্ম গ্রহন করবে  সেও conjugated হয়ে যাবে। ফলে আপনার বার্ধক্য সময়ে আপনাকে আপনার সন্তান দু মুঠো ভাত দেবে না। তাই আপনিও উনুনের ছাই যদি আমাকে দেন আপনার দেয়ার হাত খুলে গেলে।আপনার গর্ভে যে সন্তান হবে সে আপনার ভাত কাপড়ের দায়িত্ব নেবে। এই বলে সন্ন্যাসী সেখান থেকে চলে গেলেন।                                                  তাই আমরা পরমপিতা কে ভোগ নিবেদন করি ইষ্টভৃতির মাধ্যমে যাতে আমাদের বার্ধক্য জীবন  ঐ মা টির মতো কাটাতে না হয়।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের পুণ্য পুথি প্রকাশ

 শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ডাক্তারি ডিপ্লোমা ডিগ্রী পাওয়ার পর  হিমায়েতপুরে ডাক্তারি শুরু করলেন।তিনি দুঃস্থ মানুষদের চিকিৎসা করতেন তিনি টাকাপয়সা তো নিতেই না বরং উল্টে তাদের টাকা দিতেন। মাঝেমধ্যে তাদের চাষের সবজি ফল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র কে দিলে শ্রী শ্রী ঠাকুর তা গ্রহণ করতেন।


 এইভাবে তিলে তিলে সঞ্চয় করে কীর্তনের  দল গঠন করলেন। তার কীর্তনের দল সব জাতী ধর্মালম্বী  মানুষ কীর্তনে শামিল হত। শ্রী শ্রী ঠাকুর সমস্ত জাতি ধর্মের পতি অনুরাগী ছিলেন। শ্রীশ্রীঠাকুর বলতেন ধর্ম এক ধর্ম বিভিন্ন হয়না। আমার মতে এক-একটা মত।

 এরকম কীর্তন করতে করতে ভাব মত্ত অবস্থায়  শ্রী শ্রী ঠাকুরের সমাধি ঘটতো। ঐ সমাধি অবস্থায়  ডাক্তার তখন শ্রী শ্রী ঠাকুরের পার্স পেতেন না।সেই সময় শ্রী শ্রী ঠাকুর ভাব মস্ত অবস্থায়  ঠাকুর যে বাণী বলতেন সেই বাণী লিপিবদ্ধ করে রাখা হতো। এইভাবে লিপিবদ্ধ করতে করতে 72 দিনের বাণী সমূহ একত্রিত করে পুস্তকাকারে লিপিবদ্ধ  করা হয় যা আমাদের কাছে পুণ্যপুথি বা ভাব বাণী হিসাবে পরিচিত।


শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০

পরম দয়াল শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সৎ দীক্ষায় দীক্ষিত একগুরু ভাইয়ের জগন্নাথ দর্শন


 যুগো পুরুষোত্তমম পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সৎ দীক্ষায় দীক্ষিত এক গুরুভাই অনেকদিন ধরেই শ্রী শ্রী ঠাকুর এর কাছে ছিলেন। তার অনেক দিন ধরেই ইচ্ছে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরে যাওয়ার।

 জগন্নাথ দেবের দর্শন করার ইচ্ছা মনে বারবার উঁকি দিচ্ছিল। একদিন ওই গুরুভাই পরম দয়াল শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের কাছে বললেন ঠাকুর আমার অনেক দিনের ইচ্ছা পুরীর জগন্নাথ  দেবের মন্দিরে যাওয়ার। 

মন্দিরে যাওয়ার কথা বলতেই শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন পুরীর মন্দিরে যাবি তো? ওই গুরু ভাই বলল হে ঠাকুর আমার অনেক দিনের ইচ্ছা তা পূরণ করতে চাই। শ্রী শ্রী ঠাকুর জগন্নাথ দেবের দর্শনের জন্য ঐই গুরু ভাই কে  অনুমতি দিলেন।

 একদিন ওই গুরুভাই সমস্ত ভাবে তৈরি হয় জগন্নাথ  দেবের দর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন।পুরীতে পৌঁছে যখন জগন্নাথ দেবের মন্দিরে গেলেন ওই গুরুভাই দেখলেন জগন্নাথ দেবের মন্দিরে জগন্নাথের জায়গায় যুগো পুরুষোত্তমম পরম দয়াল শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সেই জায়গায় বসে আছেন।

 শ্রী শ্রী ঠাকুর কে দেখে ওই গুরুভাই শ্রী শ্রী ঠাকুরকে প্রণাম করে দেওঘরে ফিরে এলেন। পরেরদিন সকালবেলায় ওই গুরুভাই শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন।ওই গুরু ভাইকে দেখে শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন জগন্নাথ দেবের দর্শন হয়েছে তো ?। কই গুরু ভাই বলল হ্যাঁ ঠাকুর আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি।

 শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র বললেন _ "জীবন নাথকে ছেড়ে তুই  জগন্নাথ কে দেখতে গেলি।জীবন নাথেই যে জগন্নাথ হেলায় তা তুই সব হারালি"। 33 কোটি দেবতার সমারোহে যুগো পুরুষোত্তমের সৃষ্টি। তাই আমাদের প্রতি প্রত্যেকের উচিত অন্ততপক্ষে যারা শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সৎ দীক্ষায় দীক্ষিত  তাদের ঠাকুরকে নিয়ে চলা উচিত।

বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের নাতি পরমপূজ্যপাদ বর্তমান আচার্যদেব শ্রীশ্রী দাদার 88 তম জন্ম দিবস

 


পরম দয়ালু শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের নাতি  পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রী দাদার  88 তম জন্ম দিবস আজ ইংরেজি 21/10 /2020।

 আজ একটি বিশেষ দিন এই বিশেষ দিনে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম ঘটে দেওঘরে।কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার জন্য সমস্ত কিছু অনুষ্ঠান বন্ধ করা  হয়েছে।

 আচার্যদেব শ্রীশ্রী দাদা বললেন আগামী বৎসর সবকিছু ঠিক  হয়ে যাবে। 2021 সালের শ্রীশ্রী দাদার শুভ 89 তম জন্মদিন আমরা সকলে দেওঘরে থেকে আনন্দ উৎসবে মাতো হারা হয়ে থাকতে পারবো বলে আশা করি।

 আচার্য দাদা কারো নিন্দা করতে বারণ করলেন। শ্রীশ্রী দাদা বললেন কেউ খারাপ এ কথা বলতে নেই। তার যে ভালো গুণ টুকু আছে সেইটুকু আমরা নেব। লোকের খারাপ দেখলে সেই দোষ নিজের উপর আসে।

আচার্যদেব শ্রীশ্রী দাদা নাম ধ্যানে জন্য  জোর দিতে বললেন।শ্রী শ্রী দাদা বললেন  নিষ্ঠার সঙ্গে নাম ধ্যান করলে আমাদের নিজের ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পায়। একাগ্রভাবে নাম ধ্যান  করলে লক্ষ্য স্থির থাকার ক্ষমতা বাড়ে।

 আজ আমরা বাড়িতে বসেই পরম দয়াল শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের নাতি পরমপূজ্যপাদ আচার্যদেব দাদাকে স্মরণ করে দিন কাটাতে হল।   


 

পুত্র সন্তান লাভ করার তূক

 পরম দয়াল পরম প্রেমময় শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র পুত্র সন্তান হওয়ার একটি তুক দিলেন।  অনেক মায়েদের অনেক দিন বিবাহর পরেও যাদের কোন সন্তা...