সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের টাওয়ার ঘড়ি সৃষ্টির ইতিহাস

 যুগ পুরুষোত্তম পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের আশ্রম দেওঘরে গেল মেন গেট থেকে একটু দূরে পাবলিশিং হাউস এর কাছে একটি স্তম্ভ দেখা যায়। 

  এই স্তম্ভটির উচ্চতা 60 ফুট এই স্তম্ভে যে ঘড়ি টি আছে তাকে কেন্দ্র করেই ঘটনার সুত্রপাত।  একদিন শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র শিষ দাকে  ডেকে বললেন সিমেন্ট গুলো অনেক দিন আছে নষ্ট হয়ে যাবে।আপনি যে কোন উপায়ে টাওয়ার ঘড়িটি তৈরি করে ফেলুন। শীষদা ইঞ্জিনিয়ারদের ডেকে বললেন ওই টাওয়ার ঘড়ি তৈরির কথা।তারা প্রত্যেকেই বললেন ওই টাওয়ার  ঘড়ি একদিনে তৈরি করা যাবে না।                                                                                              শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন তা হবে না এক দিনেই করতে হবে ।  ইঞ্জিনিয়াররা দেখে বললেন একদিন এই খুব বেশি হলে দশ ফুটের বেশি পড়া যাবে না।   কিছুদিন পর আবার শীষ দাকে ওই ঘড়ি তৈরির কথা বললে শীষদা বললেন একদিনে ওই ঘড়ি তৈরি হবে না বলে চলে গেলেন।                                                         এরপর শ্রী শ্রী ঠাকুর খগেন দা কে ডেকে বললেন এই ঘড়ি করা যায়।খোকনদা বললেন ঠাকুর ইঞ্জিনিয়াররা যখন বারণ করেছে তখন একদিনে করা যাবে না আমিও মার খাবো আপনিও খারাপ হবেন।                                                                                                                                                          শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন আজই ভোর থেকে শুরু করতে হবে কাজ লোকজন সব রেডি করুন ।খগেন দা ঠাকুরের কথা মত  লোকজন তৈরি করলেন।        তাদেরকে রাত্রিবেলায় আনন্দবাজার প্রসাদ খাইয়ে ভোর থেকে কাজ শুরু হল।শ্রী শ্রী ঠাকুর অস্থির  হয়ে পড়েছেন।এক জন লোক পাঠিয়ে খবর নিচ্ছেন।সকাল ছটার মধ্যে নিচের 6 ফুট ঢালাই হয়ে গেছে।সকাল আটটার মধ্যে উপরে আরো ছোট হয়ে গেছে ঢালাই।                                                   এদিকে শ্রী শ্রী ঠাকুর খগেন দা কে সব বুঝিয়ে রেখেছেন শীষদা এলে কি বলতে । শীষদা এসে হাজির তিনি ঘড়ি তৈরি হচ্ছে দেখে রেগে খাপ্পা হয়ে গেলেন।খগেন দা কে নিয়ে ঠাকুরের কাছে গেলেন।শ্রীশ্রী ঠাকুর খগেন দাকে বললেন তুমি শীষকে বলনি।শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন শীষদা খগেন দা আমাকেও বলেনি আপনাকেও বলেনি।খগেনদা ঠাকুরের শিখানো মত কথাগুলি বলতে শুরু করলেন খগেন দা  বললেন ঠাকুর অনেক কষ্টে সিমেন্ট জোগাড় করেছি নষ্ট হয়ে যাবে তাই কাজ শুরু করে দিয়েছি আমাকে জুতা পিটা করুন ঠাকুর।                                                                                                               শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন যা করেছ এখন শীষ দাকে নিয়ে বাকি কয়টি শেষ করুন।শীষদা রেগে বললেন ওই ঢালাই পড়ে যাবে যে কাজ শুরু করেছে সেই করুক আমি পারবো না বলে চলে গেলেন।শ্রী শ্রী ঠাকুর খগেন দা কে ইশারা করে আরো কাজ শুরু করতে বললেন।   ঠিক দুপুর দুটোর সময় কাজ শেষ করে খগেন দা শ্রী শ্রী ঠাকুরের কাছে গেলেন।শ্রী শ্রী ঠাকুর খগেন দা কে জিজ্ঞাসা করলেন এখনো ঢালাই টি আছে তো।খগেন দা মাথা নেড়ে বললেন হে ঠাকুর এখনো আছে।শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন পরম পিতা রক্ষা করবেন।খগেনদা তখন বললেন আপনার পরমপিতা রক্ষা করুন না করুন আমার পরমপিতা যদি রক্ষা না করেন আমার অবস্থা খারাপ।                                                                                                                                  বর্তমানে সংস্কারের পর এর নাম হয় ঘড়িঘর।                                                                                                                 এটি তৈরি হয়েছিল 1946 সালে। 

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

এক 22 বছরের রিকেট রুগীর পরম দয়াল ঠাকুর জীবন রক্ষা করলেন

 

পানকৃষ্ণ সাও দার কথা।

পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সৎসঙ্গ অনুষ্ঠিত হয়েছিল পূর্ব মেদিনীপুরের পানিপারুলে।     ঐ প্রসঙ্গে ঠাকুরের আলোচনা করছিলেন এক ঋত্বিক দাদা তার আলোচনায় একটি অংশ ওই রিকেট রোগীর মনে দাগ কাটে।                                  ওই আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল যদি কেউ যজন যাজন ইষ্টভৃতি পরায়ন হয়ে চলে তার অকাল মৃত্যু ঘটে না।এই কথা শুনে ওই 22 বছরের রিকেট রোগী ওই ঋত্বিক দাদার কাছে সবিস্তারে আরো জানেন সত্যিই কি যজন যাজন ইষ্টভৃতি পরায়ন হয়ে চললে অকাল মৃত্যু ঘটে না। ওই ঋত্বিক দাদা বলেন একথা আমার কথা নয়। একথা আমার পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের কথা অর্থাৎ এ কথার কোন ভুল হবেনা।                                                             ওই 22 বছরের রিকেট রোগীটি তখন তার জীবনের কথা সব বললেন - তিনি বললেন আমার 22 বছর বয়স আমার ওজন 22 কেজি।আমি অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি কিন্তু সবার এক কথা।সব ডাক্তারবাবুরা বলছেন আমি আর বেশিদিন বাঁচবো না।আমার বাঁচার মেয়াদ আর তিন মাস ডাক্তারবাবুরা বলেছেন।ওই ডাক্তারবাবুরা বললেন বাড়িতে যেয়ে ভালো করে মাছ মাংস খান ডাক্তারবাবুরা যা বললেন আমি তাই করছি।কিন্তু আমার শরীরের ওজন 22 কেজি আর বেরোয় না।     তখন ওই ঋত্বিকদা যার মাধ্যমে পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সৎ দীক্ষায় দীক্ষিত হয়ে যজন যাজন ইষ্টভৃতি পরায়ন হয়ে চলতে থাকলেন। কিছুদিন যাওয়ার পর ওই ঋত্বিক দাদার সঙ্গে আরো দেখা হয় ওই রিকেট রোগীর।তিনি বলেন আমার খুব একটা উন্নতি এখনো হয়নি।তখন ওই ঋত্বিক দাদা বললেন আপনি আমার সঙ্গে আমার পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের আশ্রম দেওঘরে চলুন।ওই রিকেট রোগী তখন ওই ঋত্বিক দাদার সঙ্গে দেওঘর এই জান।এবং তিনি ঠাকুরের কাছে বলেন ঠাকুর সব ডাক্তাররাই আমাকে বলেছেন আমার আয়ু 3  মাস।আমি কি আর বাঁচবো না ঠাকুর।পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন আপনি অনেক দিন বাঁচবেন কিন্তু আপনাকে নিরামিষ আহার গ্রহণ করতে হবে।তা শুনে ওই রিকেট রোগী রাজি হলেন।                                         তিনি বাড়ি ফিরে এসে নিরামিষ খাওয়ার কথা বাড়িতে বলতেই তাহার বাড়ির লোক সবাই খুব রাগা রাগী । বাড়ির লোক প্রত্যেকেই  বললেন নিরামিষ খেলে আর এক দিনও বাঁচবি না।কিন্তু ওই রিকেট রোগী নিরামিষ খাবেই।ওই রিকেট রোগী বললেন ডাক্তাররা বলেছেন আমি আর তিন মাস বাঁচব।আমি এখন আমার ঠাকুরের কথা শুনে চলবো।তা শুনে ওই রিকেট রোগের কাকা রিকেট রোগীকে প্রচুর মারধর করেন।কিন্তু রিকেট রোগী ঠাকুরের কথামতো নিরামিষ আহার গহন করতে । কিছুদিন পর তার শরীরের উন্নতি ঘটে।                     তার ওজন আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে।বর্তমানে তার বয়স 77 বছর।তিনি এখন পরম দয়াল শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের পাঞ্জা ধারী সহপতি ঋত্বিক। তিনি ঘুমন্ত অবস্থায় শ্রী শ্রী ঠাকুরের নাম করে চলেন।নাম করতে করতে অচৈতন্য হয়ে পড়েন।কিছুক্ষণ পর আবার চৈতন্য ফিরে আসে । বর্তমানে তিনি পানিপারুল মন্দির এর সঙ্গে যুক্ত সুস্থ অবস্থায় আছেন।

বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস অসৎ সঙ্গে নরকবাস

 পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সৎ দীক্ষায় দীক্ষিত প্রত্যেকটি মানুষ এই এই কথাটি সকলেই জানেন।                                                      আমরাও যদি সৎ মানুষের সঙ্গে থাকি আমাদের প্রকৃতি সৎ হবে।কিন্তু আমরা অসৎ মানুষের সঙ্গে থাকি আমাদের প্রকৃতি অসৎ হবেই।                       এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি কৌতুকের ছলে সৎ সঙ্গে স্বর্গ বাস তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে ।                    একটি গোবরে পোকা ও একটি ভ্রমর  পকার মধ্যে খুবেই ভাব।তারা কিছু সময়ের জন্য একে অপরের ভালো মন্দের খবরা খবর নিত।একদিন ভোমর পোকা গোবর পোকাটিকে বলল বন্ধু  তুমি পত্যহ গোবরে থাক,গোবর খেয়ে থাক।তুমি আজ আমার সঙ্গে চলো আজ গোবর খেতে হবে না।তুমি আমার মত ফুলে ফুলে মধু খাবে চলো।সেই কথা শুনে গোবরে পোকা টি ওই ভ্রমর প্রকার সঙ্গে মধু খেতে গেল।                                                           ভ্রমর পোকাটি মধু খেয়ে বাড়ি যাবে বলে ঠিক করল সে গোবরে পোকার টিকেও বাড়ি যাওয়ার কথা বলল।কিন্তু গোবরে পোকা প্রথম দিন মধু বেশি খাওয়ার জন্য ওই ফুলের ভিতরেই বিশ্রাম নিল।ভ্রমর পোকাটিকে বাড়ি যেতে বলল।এদিকে ওই গোবরে পোকা টি যে ফুলে বিশ্রাম  নিচ্ছিল সেই ফুলটি রাত্রিতে পাপড়িগুলি গুটিয়ে গেছে। পরের দিন সকালবেলায় মালি এসে নিত্য পূজার জন্য ফুল তোলার সময় ওই গোবরে পোকা থাকা ফুলটি তুলে নিয়ে যায়।তখন দিনের আলো ফোটায় ফুলটি আবার পাপড়ি গুলো । গোবরে পোকা এখন লক্ষ্য করে সে দেবতার পদতলে আশ্রয় পেয়েছে।সে যদি ভ্রমর পকার কথা না শুনছো তাহলে দেবতার পায়ে জায়গা হতো না।তাকে গোবর খেয়ে দিন কাটাতে হতো।                                                                         গোবরে পোকা কি ভাবল সৎ এর ছিলাম বলে আজ আমি দেবতার পদতলে আছি।                       ফুল বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হয়।শবদেহ কাজে ফুল ব্যবহার হয়।আবার দেবতার পূজায় ফুল লাগে।        তাই আমি সৎ ভ্রমর পকার  সঙ্গে  ছিলাম বলে দেবতার পায় আশ্রয়  পেয়েছি।                                তাই আমাদের প্রতি প্রত্যেকের সৎ আশ্রয় নেয়া । পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের বলা সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস অসৎ সঙ্গে নরকবাস প্রতি প্রত্যেকের মনে রাখা দরকার।



সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

পুত্রবধূকে আপন করার একটি তুক

 


প্রত্যেক বাড়িতে দেখা যায় শাশুড়ি আর বৌমার সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়।তাদের সম্পর্ক অহি-নকুল বা একটা চলতি কথা আছে আদা কাঁচকলা সম্পর্ক।                                                                   এর ফলে বাড়িতে একটা অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি ।   

পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র পুত্রবধূকে আপন করার জন্য একটি তুক বললেন _শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন পরের মেয়ে বাড়িতে এলেই তাকে আপন করে নিতে হয়।সে যেমন প্রকৃতির হোক না কেন।তাকে সবার কাছে বলতে হবে আমার বউমা মত আর কারো কারোও বৌমা  নেই।যেমন গুনে তেমনি কথাবার্তা সবাইকে আপন করে নিয়েছে।তাহলে সেই যদি খারাপও হয় আস্তে আস্তে সেও ঠিক হয়ে যাবে।                                                     তাছাড়াও কিছুদিন পর সংসারের দায়িত্ব তার উপর নেস্ত্য করতে হবে।যাতে বৌমা নিজের সংসারের কথা ভাবতে পারে।তাহলে সে যদি খারাপ প্রকৃতির ও হয় আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে।


রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

মানুষ মৃত্যুর পরে কিরূপে থাকে

 


মানুষ মৃত্যুর পরে কিরূপে থাকে? বা মানুষ সত্যি কি মানুষরূপে আবার ফিরে আসে?                                      পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র কে এক গুরু ভাই মৃত্যুর পর মানুষ কিরূপে থাকে তা জানার জন্য জিজ্ঞাসা করলে পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র বলেন কি ভাব নিয়ে মৃত্যুবরণ করে এবং সে ইষ্ট পরায়ন কিনা তার উপর নির্ভর করে কিরূপে থাকবে।                                                      শ্রী শ্রী ঠাকুর বললেন কেও হয়তো খুব ইস্ট পরায়ণ সে মৃত্যুর সময় ভাবছে আমি তো মারা যাবো কিন্তু আমার গরুটি খুঁটিতে বাধা আছে কে তাকে সরাবে। যেহেতু লোকটি ইষ্ট পরায়ণ ছিল সেই সময় গরুর কথা ভাবতে ভাবতে মৃত্যুবরণ করলে ওই ব্যক্তি গরু রূপে  জন্মগ্রহণ করবে ।ইষ্ট পরায়ন থাকার জন্য ওই ব্যক্তি একটি সৎ মিনুষের গৃহে গরু রুপে থাকবে এবং গরুটি ভালো সেবা যত্ন পাবে।ইষ্টমুখি থাকার জন্য পুনরায় মৃত্যুর পর মানুষ রূপে জন্ম গ্রহণ করবে।                                                    কিন্তু যে মানুষ ইস্টো মুখী নয় সে মৃত্যুর সময় যদি ভাবে বাঘ সিংহ কথা তখন সে যেভাব নিয়ে মৃত্যুবরণ করবে সে রুপে জন্মগ্রহন করবে। কিন্তু যেহেতু মানুষটি ইষ্টমুখি ছিলনা সেই জন্য বনে বনে ঘুরে বেড়াবে এবং পশুর  মৃত্যুর পর আর মানুষরূপে ফিরে আসতে পারবে না।

শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ ও কৃষ্ণের বস্ত্রদান


 ধৃতরাষ্ট্রের রাজসভায় যখন দূঃশাসন দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ করছিলেন সেই সময় শ্রীকৃষ্ণের বস্ত্র দান করা।পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ইষ্টভৃতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এই ঘটনা।                        ধৃতরাষ্ট্রের রাজসভায় পাণ্ডব ও কৌরবদের যখন আলোচনা হচ্ছে সেই সময় এক দুষ্টু রাজা ছিলেন শিশুপাল।তার দেবতাদের বর দিয়েছিল তিনি 101 টা খারাপ কাজ করতে পারবেন।                                                           ওই দুষ্টু রাজা খারাপ কাজ করতে করতে তার খেয়াল ছিলনা কখন 101 টি খারাপ কাজ হয়ে গেছে।                                                                    ওই শিশুপাল উত্তেজিত হয়ে কৃষ্ণ ঠাকুর কে গালাগালি দিতে শুরু করেন।কৃষ্ণ ঠাকুর তখন সুদর্শন চক্র দিয়ে রাজা শিশুপালের মস্তক ছেদন করেন। মস্তক ছেদন এরপর ওই চক্র ফিরে আসার সময় কৃষ্ণ ঠাকুরের অঙ্গুলিতে লাগে এবং রক্তপাত । সেই সময় দ্রোপদী ওই জায়গায় উপস্থিত ছিলেন।তিনি নিজের কাপড় ছিড়ে কৃষ্ণ ঠাকুরের হাতে বেঁধে দেন।                                                                       এখানে আরেকটি ঘটনার কথা উল্লেখযোগ্য।দূর্যোধন ছিলেন খুবই কুচক্রী তিনি সব সময় ভাবতেন পান্ডবদের কিভাবে ক্ষতি করা যায়।একদিন তিনি দুর্বাসা মুনি কে পাঠালেন পাণ্ডবরা যখন অজ্ঞাতবাসে ছিলেন সেই জায়গায়।সেই সময় পান্ডবদের খাবার ঠিকঠাক ছিল । এদিকে দুর্বাসা মুনি ছিলেন খুবই রাগী তার একটুকু দোষ হলেই অভিশাপ দিতেন।ওই দুর্বাসা মুনি কুচক্রী দুর্যোধনের কথা শুনে তা সহস্য শিষ্য কে নিয়ে পান্ডবদের অজ্ঞাতবাস এ যান।জ্যেষ্ঠ  পাণ্ডব যুধিষ্ঠির তখন দুর্বাসা মুনি কে শিষ্যদের নিয়ে স্নান করে আসতে বললেন।এদিকে বাড়িতে খাবার নেই।কৃষ্ণ ঠাকুর আগে থেকে তা জানতেন।তিনি আগে গিয়ে দ্রৌপদীর  কাছে কিছু খাবার চান।দ্রৌপদি দেখেন হাঁড়িতে কোন খাবার নেই।কৃষ্ণ ঠাকুর সবই জানতেন।তিনি বললেন হারি খুঁজে দেখতে।দ্রৌপদী তখন একটি ভাতের কনা খুঁজে পান এবং কৃষ্ণ ঠাকুর কে তা দেন।ওইযে কৃষ্ণ ঠাকুর কে কনা দিয়েছিলেন সেই জন্য কৃষ্ণ ঠাকুর দুর্বাসা মুনির সহস্য শিষ্যদের খাবার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।       এই দুটি ঘটনা থেকে আমরা বুঝিতে পারি পরম দয়াল শ্রী শ্রী ঠাকুরের ইস্ট ভীতি ঘটনার কথা।


বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

শ্রীভগবান ও তার প্রিয় ভক্ত




 শ্রী ভগবানের এক পরম ভক্ত ছিলেন।তিনি ভগবানকে বলতেন আমি আপনার সব সময় নাম ধ্যান  করি কিন্তু অনেকেই আপনার নাম ধ্যান করে না তাও তারা আমার থেকে বেশি সুখী।                   ওই বক্তব্য বলতে থাকে ও ভক্তটি। ভগবান বলেন আমি সকলের জন্য একেই ব্যবস্থা করেছি অর্থাৎ আমার দৃষ্টি সকলের দিকে সমান।                          কিন্তু ওই ভক্ত সে কথা শুনতে রাজি নয়।ওই ভক্ত বলে আমার যত রোগ-শোক দারিদ্র আছে তা দূর করুন।                                                                  কিন্তু ভগবান সেই একই কথা ওই ভক্তকে বলতে থাকেন।ভক্ত টি ও ভগবান কে একই কথা বারবার বলতে থাকে।                                                           শ্রী ভগবান দেখলেন ভক্ত টি একই কথা বারবার বলছে।শ্রীভগবান তখন ওই ভক্তকে বললেন একটি উপায় আছে,এই কথা শুনে ভক্ত টি আত্মহারা হয়ে গেল।ভক্তটি ভগবানকে বললেন বলুন কী উপায় । শ্রী ভগবান বললেন ঐ মন্দিরের পাশে একটি পুরানো বৃক্ষ আছে ঐ বেক্ষে আপনার যত দূঃখ কষ্ট আছে তা লিখে ঐ পূরানো  বৃক্ষে রেখে  আসুন তা শুনে ভক্ত খুব খুশী।ভক্ত একটু আগাতেই ভগবান  বললেন আমার একটি শর্ত আছে।ঐ ভক্ত ভগবানের শর্তের কথা শুনতে চাইলেন।ভগবান বললেন আপনি যখন নিজের দুঃখ কষ্ট যা আছে তা বাঁধার সময় ঐ গাছে আগে থেকে যে পুটলি আছে।ঐ গুলোর মধ্য থেকে আপনার জন্য একটা পুটলি নিয়ে আসবেন।



পুত্র সন্তান লাভ করার তূক

 পরম দয়াল পরম প্রেমময় শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র পুত্র সন্তান হওয়ার একটি তুক দিলেন।  অনেক মায়েদের অনেক দিন বিবাহর পরেও যাদের কোন সন্তা...